জিম্মি যাত্রীরা, জিআরপি ফাঁড়ির প্রশাসনের বিরুদ্ধে সম্পৃক্ততার অভিযোগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে তিতাস ট্রেনের টিকিট নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে চরম ভোগান্তি ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। যাত্রীদের অভিযোগ, নির্ধারিত কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। একটি চক্র টিকিটের ওপর প্রভাব বিস্তার করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে এবং অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে টিকিট বিক্রির অভিযোগও উঠেছে।
ভুক্তভোগী কয়েকজন যাত্রীর দাবি, স্টেশনে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও তারা কাঙ্ক্ষিত টিকিট পাচ্ছেন না। অথচ দালাল বা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা দিলে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে—এমন অভিযোগও করেছেন তারা।
সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ, এই টিকিট সিন্ডিকেটের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে জিআরপি ফাঁড়ির কিছু সদস্যের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে যাত্রীরা দাবি করেছেন। তবে এ অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
যাত্রীদের প্রশ্ন, রেলওয়ে স্টেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রকাশ্যে যদি টিকিট নিয়ে এমন অনিয়ম চলতে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি কোথায়? টিকিট বিক্রির প্রক্রিয়া স্বচ্ছ রাখতে এবং যাত্রী হয়রানি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে টিকিট বিক্রির সঙ্গে কোনো সিন্ডিকেট জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্যের সম্পৃক্ততা থাকলে সেটিও তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট করার দাবি উঠেছে।
এ বিষয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও জিআরপি ফাঁড়ির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে। তথ্য চিত্র রাসেল আহমেদ