বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিজ্ঞপ্তি দৈনিক সময়ের কণ্ঠ পত্রিকার সকল পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা, সংবাদদাতা, প্রতিনিধি, শুভানুধ্যায়ী ও সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, পত্রিকার বাণিজ্যিক ও প্রশাসনিক কার্যালয়ের ঠিকানা পরিবর্তন করা হয়েছে বাড্ডায় মাদক কারবারের অভিযোগ: একাধিক স্পটে প্রকাশ্যে ব্যবসা, পুলিশের সোর্স পরিচয়ে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ খিলগাঁও থানার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু, একের পর এক অভিযোগে প্রশ্নের মুখে ওসি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে তিতাস ট্রেনের টিকিট সিন্ডিকেটের দখলে চীন থেকে বুলেট ট্রেন আনার কথা চলছে, ঘণ্টায় চলবে ৩৫০ কিলোমিটার গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ: আ.লীগের ৯ নেতাকর্মী কারাগারে বাংলাদেশে নতুন আশা ২৫ কোটি টাকা বৃদ্ধি করা হবে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের জন্য, বললেন প্রতিমন্ত্রী আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর এসিল্যান্ড অবগত পীরগঞ্জে ভূমি অফিসে সার্ভেয়ার ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন জাতীয় সংসদের স্পীকার ​মীর

নওগাঁর নিয়ামতপুরে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ বাচ্চা নষ্টের অভিযোগ

নওগাঁর নিয়ামতপুরে বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী লতা খাতুন ধর্ষণের শিকার হয়ে পেটে থাকা ৪ মাস বয়সী বাচ্চা নষ্টের অভিযোগ উঠেছে ভিকটিম সাখওয়াত হোসেনের (২৬) বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে নিয়ামতপুর উপজেলার ভাবিচা ইউনিয়নের সিদাইন গ্রামে।
শনিবার (০১ আগস্ট) সকালে ভুক্তভোগী লতা খাতুনের বাবা মিরাজ সোনার বাদী হয়ে নিয়ামতপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
থানায় লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সাখওয়াত হোসেন কৌশলে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক প্রতিবন্ধী মেয়েকে ধর্ষণ করে। পরে বিষয়টি আমরা বুঝতে পেয়ে স্থানীয় সালিশের মাধ্যমে গত ১৬ জুলাই সাখওয়াত হোসেনে সাথে লতা খাতুনের বিয়ে দেওয়া হয়। এরপর লতা খাতুন শ্বশুর বাড়ীতে গেলে শ্বশুর মাবুদ আলী, শ্বাশুড়ি সাইফা বেগম, কাদের আলী ও সোরাভ হোসেন গত শুক্রবার ৩১ জুলাই রাতে লতা খাতুনের পেটের বাচ্চা নষ্ট করার জন্য জোরপূর্বক ওষুধ খাওয়ায়। রাতেই সাখওয়াত লতা খাতুনকে আমার বাড়িতে রেখে যায়। বিষয়টি টের পেয়ে মেয়েকে নিয়ে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। মেয়ের গর্ভে থাকা বাচ্চাটি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। লতা খাতুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
ভুক্তভোগী লতা খাতুনের বাবা মিরাজ সোনার বলেন, আমার প্রতিবন্ধী মেয়েকে ধর্ষণ ও পেটে থাকা বাচ্চা নষ্ট করল। আমার মেয়ে বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী তার উপর সংঘটিত নির্যাতনের সুষ্ঠু বিচার চায়।
নিয়ামতপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এসকেএন টিভি চ্যানেল ফেসবুক