বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিজ্ঞপ্তি দৈনিক সময়ের কণ্ঠ পত্রিকার সকল পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা, সংবাদদাতা, প্রতিনিধি, শুভানুধ্যায়ী ও সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, পত্রিকার বাণিজ্যিক ও প্রশাসনিক কার্যালয়ের ঠিকানা পরিবর্তন করা হয়েছে বাড্ডায় মাদক কারবারের অভিযোগ: একাধিক স্পটে প্রকাশ্যে ব্যবসা, পুলিশের সোর্স পরিচয়ে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ খিলগাঁও থানার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু, একের পর এক অভিযোগে প্রশ্নের মুখে ওসি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে তিতাস ট্রেনের টিকিট সিন্ডিকেটের দখলে চীন থেকে বুলেট ট্রেন আনার কথা চলছে, ঘণ্টায় চলবে ৩৫০ কিলোমিটার গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ: আ.লীগের ৯ নেতাকর্মী কারাগারে বাংলাদেশে নতুন আশা ২৫ কোটি টাকা বৃদ্ধি করা হবে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের জন্য, বললেন প্রতিমন্ত্রী আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর এসিল্যান্ড অবগত পীরগঞ্জে ভূমি অফিসে সার্ভেয়ার ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন জাতীয় সংসদের স্পীকার ​মীর

বাড্ডায় মাদক কারবারের অভিযোগ: একাধিক স্পটে প্রকাশ্যে ব্যবসা, পুলিশের সোর্স পরিচয়ে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ

অনুসন্ধান রিপোর্টার:
রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় মাদক কারবারকে ঘিরে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ সামনে আসছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের বেলায়ও বিভিন্ন স্থানে মাদক কেনাবেচা চলছে এবং এর পেছনে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় রয়েছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে যেসব স্থানের নাম উঠে এসেছে, তার মধ্যে রয়েছে আফতাবনগর, বাগানবাড়ী, পাখির গলি, রাজক কোয়ার্টার, শাহাবুদ্দিনের মোড়, থানার পাশের এলাকা, ৮ নম্বর থেকে ৬ নম্বর এবং ৪ নম্বর থেকে ৩ নম্বর রোড, ময়লার গলিসহ আশপাশের কয়েকটি স্থান।

স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ, এসব এলাকায় মাদক কারবারিদের কয়েকটি গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। তাদের মধ্যে কিশোর গ্যাং ও কথিত মাদক কারবারি চক্রের সম্পৃক্ততার অভিযোগও পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া কাউসার ও তার স্ত্রী এবং ‘আম্মা গ্রুপে’ কাজলি নামে কয়েকজনের বিরুদ্ধে মাদক কারবারের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ স্থানীয়দের মুখে শোনা যাচ্ছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, এসব ব্যক্তির মধ্যে কয়েকজন এলাকায় নিজেদের প্রভাব বিস্তার করে ‘মাদক সম্রাট’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। পাশাপাশি পুলিশের সোর্স পরিচয়ে কিছু ব্যক্তি মাদক কারবারিদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হলো—বাড্ডা থানার কয়েকজন এসআইয়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে, সে বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে অনুসন্ধান চলছে। অভিযোগগুলো সত্য কি না, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা, থানা কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য নেওয়া জরুরি।

তবে প্রতিবেদনে উল্লিখিত কোনো ব্যক্তি বা পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত নয়। সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য যাচাই করেই চূড়ান্তভাবে বিষয়গুলো প্রকাশ করা হবে।

অনুসন্ধান চলমান—পরের পর্বে

কোন কোন স্থানে কীভাবে মাদক বিক্রি হচ্ছে, কারা এর সঙ্গে জড়িত, কথিত সোর্সদের ভূমিকা কী এবং বাড্ডা থানার কোন কোন কর্মকর্তার নাম অভিযোগে আসছে—এসব তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে পরবর্তী পর্বে বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে।

চলবে…


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এসকেএন টিভি চ্যানেল ফেসবুক