বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিজ্ঞপ্তি দৈনিক সময়ের কণ্ঠ পত্রিকার সকল পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা, সংবাদদাতা, প্রতিনিধি, শুভানুধ্যায়ী ও সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, পত্রিকার বাণিজ্যিক ও প্রশাসনিক কার্যালয়ের ঠিকানা পরিবর্তন করা হয়েছে বাড্ডায় মাদক কারবারের অভিযোগ: একাধিক স্পটে প্রকাশ্যে ব্যবসা, পুলিশের সোর্স পরিচয়ে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ খিলগাঁও থানার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু, একের পর এক অভিযোগে প্রশ্নের মুখে ওসি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে তিতাস ট্রেনের টিকিট সিন্ডিকেটের দখলে চীন থেকে বুলেট ট্রেন আনার কথা চলছে, ঘণ্টায় চলবে ৩৫০ কিলোমিটার গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ: আ.লীগের ৯ নেতাকর্মী কারাগারে বাংলাদেশে নতুন আশা ২৫ কোটি টাকা বৃদ্ধি করা হবে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের জন্য, বললেন প্রতিমন্ত্রী আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর এসিল্যান্ড অবগত পীরগঞ্জে ভূমি অফিসে সার্ভেয়ার ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন জাতীয় সংসদের স্পীকার ​মীর

জ্বীনের কথায় ইনসান দাফনের ১২ ঘন্টা পর পুনরায় কবর থেকে উত্তোলন

দাফনের ১২ ঘন্টা পর পুনরায়  কবর থেকে লাশ উত্তোলন।
লাশকে একাধিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত হালিমা খাতুনের মেয়ে সুলতানা (৪০)  জ্বীনের আছড়ে আক্রান্ত। জ্বীন তাকে বলেছে, তার মা জীবিত আছে। ঘটনাটি ঘটেছে জামালপুর জেলাধীন মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের চর মাহমুদপুর গ্রামে।

মেলান্দহে এক বৃদ্ধা হালিমাকে দাফনের ১২ ঘন্টা পর কবর থেকে উত্তোলন করেছে স্বজনরা।
মৃত হালিমা খাতুনের মেয়ে সুলতানা (৪০)  জ্বীনের আছড়ে আক্রান্ত। জ্বীন তাকে বলেছে, তার মা জীবিত আছে।একথা শুনার
পরে মৃতের স্বজনরা মৃতদেহ নিয়ে মেলান্দহ ও জামালপুরের একাধিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকরা হালিমাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শনিবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। চর মাহমুদপুর গ্রামের মৃত সোহরাব আকন্দের স্ত্রী হালিমা খাতুন (৬৫) বার্ধক্যজনিত কারনে গত শুক্রবার (৩১ আগষ্ট) দিবাগত রাত ১টার সময় মারা যান। পরদিন শনিবার সকাল ৮টায় জানাযা শেষে হালিমা খাতুনকে দাফন করা হয়।
এক পর্যায়ে হালিমা খাতুনের স্বজনরা রাত ৯টার দিকে কবর থেকে লাশ উত্তোলন করেন। পরে হালিমা খাতুন আসলেই জীবিত রয়েছে কি না?সেটা জানার জন্য রাতেই মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এরপর সেখান থেকে প্রথমে মেলান্দহ ও পরে জামালপুরের একাধিক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে, হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের মৃত ঘোষণার পর পুন:রায় হালিমাকে  দাফন করা হয়। বিষয়টি নিয়ে জামালপুর জেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মেলান্দহ থানার ভারপ্রাাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) এ.টি.এম. মাহমুদুল হক বলেন- বিষয়টি সম্পর্কে আমাদের কেউ অবগত করেনি।
০২.০৮.২৬


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এসকেএন টিভি চ্যানেল ফেসবুক