November 3, 2026, 5:16 pm
SCROLL:
অভাবের দিন থেকে ডলার-ইউরোর আলোচনা, প্রবাসী মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নুরুল হক নুর: প্রশ্নের মুখে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি মানহীন ঔষধ বাজারে রেখে রহস্যজনক নীরবতা ঔষধ প্রশাসনের আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালসের দুর্নীতির জালে হুমকিতে জনস্বাস্থ্য পাঁচ মাসেও ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়নি প্রবাসী আয়, বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে বাড়ছে চাপ ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে উত্তাল গার্মেন্টস শিল্পাঞ্চল, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে অচল সড়ক ব্রাহ্মণবাড়িয়া জামায়াতের আমিরকে ঘিরে জমি ও কোটি টাকার হিসাব নিয়ে নানা অভিযোগ। জমির মালিকানা, তিতাস টাওয়ারের আর্থিক লেনদেন ও নির্বাচনী ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন; নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি টাকার হিসাব নিয়ে নানা অভিযোগ ১২০ কোটি টাকার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ: বিএলআরআইয়ের পিডি সাজেদুলকে ঘিরে স্বজনপ্রীতি ও অর্থ ব্যয়ের প্রশ্ন সম্পদের অভিযোগ অনুসন্ধানে গিয়ে সাংবাদিককে হুমকির অভিযোগ, মিরপুর থানায় জিডি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা জাকির হোসেনকে ঘিরে সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন, সাংবাদিক ও পরিবারের নিরাপত্তা দাবি কঙ্গোতে ইবোলা সংক্রমণ ১০ হাজার ছাড়িয়েছে, বাড়ছে উদ্বেগ স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা, নিহত অন্তত ৬৮ যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান

গাজায় নতুন হামলার খবর, যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব নিয়ে উদ্বেগ যুদ্ধবিরতির এক বছর পরও প্রাণহানি অব্যাহত, বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

SKN আন্তর্জাতিক ডেস্ক | SKN Television

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় আবারও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার এক বছরেরও বেশি সময় পরও উপত্যকাটিতে হামলা ও হতাহতের খবর অব্যাহত থাকায় চুক্তির স্থায়িত্ব এবং বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের ২২ অক্টোবর ২০২৬-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাজার বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলি হামলা ও গুলিতে অন্তত চার ফিলিস্তিনি নিহত হন। নিহতদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে বলে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

গাজা সিটিতে গাড়িতে বিমান হামলা

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাজা সিটির তাল আল-হাওয়া এলাকায় একটি গাড়িতে বিমান হামলায় একজন নিহত হন এবং আরেকজন গুরুতর আহত হন। দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিসে সাইকেল চালিয়ে যাওয়া এক ফিলিস্তিনি ব্যক্তিও হামলায় নিহত হন। এ ছাড়া নুসেইরাত শরণার্থীশিবিরের কাছে আরেক ব্যক্তি নিহত হন। উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থীশিবিরের কাছে ইসরায়েলি গুলিতে এক নারী নিহত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।

স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের বরাতে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তবে পৃথক ঘটনাগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য ও বিস্তারিত পরিস্থিতি যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।

হামলার বিষয়ে ইসরায়েলের বক্তব্য

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী খান ইউনিস, নুসেইরাত ও গাজা সিটিতে হামলার কথা জানিয়েছে। তাদের দাবি, এসব হামলার লক্ষ্য ছিল হামাসের সদস্যরা। তবে জাবালিয়ায় ওই নারীর নিহত হওয়ার ঘটনাটি সম্পর্কে সামরিক বাহিনী অবগত নয় বলে জানিয়েছে।

অন্যদিকে, হামাসের অভিযোগ, ইসরায়েলের ধারাবাহিক সামরিক অভিযান যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে দুর্বল করছে। ইসরায়েল দাবি করছে, হামাসের পুনরায় অস্ত্র সংগ্রহ এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাবে তারা সামরিক পদক্ষেপ নিচ্ছে। এসব অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্যের স্বাধীন যাচাই গুরুত্বপূর্ণ।

যুদ্ধবিরতির পরও বাড়ছে প্রাণহানির সংখ্যা

গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের হিসাব উদ্ধৃত করে রয়টার্স জানিয়েছে, ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ২০২৬ সালের ২২ অক্টোবর পর্যন্ত অন্তত ১,৫০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। একই সময়ে আহতের সংখ্যাও কয়েক হাজারে পৌঁছেছে।

দীর্ঘ সংঘাতের কারণে গাজার ঘরবাড়ি, হাসপাতাল, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছেন। নতুন করে হামলা হলে সাধারণ মানুষের নিরাপদ আশ্রয়, চিকিৎসা এবং জরুরি মানবিক সহায়তা পাওয়ার সংকট আরও তীব্র হতে পারে।

শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা

যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও হামলা ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগ বন্ধ না হওয়ায় শান্তি প্রক্রিয়ার অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। হামাসের নিরস্ত্রীকরণ, গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকার পুনর্গঠন নিয়ে আলোচনায় অচলাবস্থা রয়েছে বলে আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য শুধু সামরিক সংঘাত কমানো যথেষ্ট নয়; বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মানবিক সহায়তা নির্বিঘ্নে পৌঁছানো এবং রাজনৈতিক সমাধানের পথ তৈরি করাও জরুরি।

আন্তর্জাতিক মহলের করণীয়

গাজায় প্রাণহানি বন্ধে কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ, যুদ্ধবিরতির শর্ত বাস্তবায়ন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইন মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বেসামরিক মানুষ, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা সংঘাতের সব পক্ষেরই দায়িত্ব।

SKN আন্তর্জাতিক ডেস্কের পর্যবেক্ষণ: যুদ্ধবিরতির মধ্যেও যদি হামলা ও প্রাণহানি অব্যাহত থাকে, তাহলে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। গাজার মানুষের নিরাপত্তা, চিকিৎসা ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি।

প্রকাশনা: SKN Television
স্লোগান: সত্য কথায় অঙ্গীকারবদ্ধ আমরা
ওয়েবসাইট: SKNTV.News


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


FACEBOOK