নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ অস্ত্রের চালান, মাদক ব্যবসা, মামলা বাণিজ্য ও নানা অনিয়ম-দুর্নীতির সঙ্গে পুলিশের কিছু অসাধু সদস্যের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। রাজধানীর একাধিক থানাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে বলে জানা গেছে।
অনুসন্ধানে রাজধানীর বাড্ডা, গুলশান, মোহাম্মদপুর, খিলগাঁও, রামপুরা, রমনা, লালবাগ, শেরেবাংলা নগর ও কাফরুলসহ বিভিন্ন এলাকার নাম উঠে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, একটি চক্র মাদক কারবারিদের কাছ থেকে সুবিধা নিয়ে তাদের সহযোগিতা, তথ্য গোপন কিংবা নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে হয়রানির মাধ্যমে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করছে। কোথাও কোথাও মামলা দায়ের ও মামলার ধারা পরিবর্তন নিয়েও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।
এ ছাড়া সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের চালান পৌঁছানোর ক্ষেত্রে কিছু অসাধু ব্যক্তির সহযোগিতার অভিযোগও সামনে এসেছে। তবে এসব অভিযোগের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় ও সম্পৃক্ততার বিষয়টি যাচাই করতে আরও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্য অপরাধী চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকলে তা শুধু প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিই ক্ষুণ্ন করে না, বরং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও আইনের শাসনের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে কঠোর আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
দৈনিক সময়ের কণ্ঠের অনুসন্ধান:
এই বিষয়ে দৈনিক সময়ের কণ্ঠ-এর অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র, মামলা সংক্রান্ত তথ্য, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
পরবর্তী সংখ্যায় অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নাম, ছবি, নথি ও যাচাই করা তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরা হবে—তবে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া এবং তথ্য যাচাইয়ের বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হবে।
চোখ রাখুন—দৈনিক সময়ের কণ্ঠে।