বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ডিসির বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন: প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর নিয়ে ওঠা অভিযোগ তদন্তের দাবি বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নেতৃত্ব: শিক্ষা, ইংরেজি ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন বিশ্ব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে তানভীর কবিরের নতুন পথচলা চীনসহ এশিয়ায় স্বাস্থ্য সহযোগিতা জোরদারে ৪ অগ্রাধিকার তুলে ধরলেন বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সৌদি আরবের এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের দাবি হুথিদের মাঝ আকাশে বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক দুপুরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশেষ সংবাদ সম্মেলন বিজ্ঞপ্তি দৈনিক সময়ের কণ্ঠ পত্রিকার সকল পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা, সংবাদদাতা, প্রতিনিধি, শুভানুধ্যায়ী ও সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, পত্রিকার বাণিজ্যিক ও প্রশাসনিক কার্যালয়ের ঠিকানা পরিবর্তন করা হয়েছে বাড্ডায় মাদক কারবারের অভিযোগ: একাধিক স্পটে প্রকাশ্যে ব্যবসা, পুলিশের সোর্স পরিচয়ে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ খিলগাঁও থানার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু, একের পর এক অভিযোগে প্রশ্নের মুখে ওসি

তারেক রহমানের সফরের অপেক্ষায় ভারত, ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্কে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ঢাকার সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সম্ভাবনা ঘিরে আলোচনার কেন্দ্রে এখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরকে স্বাগত জানাতে ভারত প্রস্তুত—এমন বার্তাই দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

ভারতীয় এই কূটনীতিকের বক্তব্যে শুধু একটি সম্ভাব্য রাষ্ট্রীয় সফরের প্রত্যাশাই নয়, বরং দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ককে নতুন করে এগিয়ে নেওয়ার আগ্রহও স্পষ্ট হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা-নয়াদিল্লির সম্পর্কে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতে তারেক রহমানের ভারত সফরকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দীনেশ ত্রিবেদী জানিয়েছেন, ভারত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরের জন্য অপেক্ষা করছে এবং সফরটি যত দ্রুত সম্ভব হওয়া উচিত। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সরাসরি যোগাযোগ ও আলোচনার মাধ্যমে বিদ্যমান মতপার্থক্য কমানো এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

এর আগে কূটনৈতিক সূত্রে চলতি আগস্টের ২০ থেকে ২৫ তারিখের মধ্যে সম্ভাব্য সফরের কথা আলোচনায় এসেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সফরের তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও জানিয়েছেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

এই সফর হলে তা তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ভারতের সঙ্গে সরাসরি উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হবে। একই সঙ্গে ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ঢাকা-নয়াদিল্লির সম্পর্কে জমে থাকা অবিশ্বাস ও অস্বস্তি কাটানোর ক্ষেত্রেও এটি নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে।

তবে সম্পর্কের সামনে চ্যালেঞ্জও কম নয়। বিশেষ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান ও তাঁর প্রত্যর্পণ ইস্যু দুই দেশের কূটনৈতিক আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে রয়েছে। বাংলাদেশ জানিয়েছে, অনুকূল পরিবেশ তৈরি হওয়া এবং দ্বিপক্ষীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে অগ্রগতি সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণে ভূমিকা রাখবে।

সব মিলিয়ে, তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর এখন শুধু একটি রাষ্ট্রীয় সফরের প্রশ্ন নয়; বরং এটি দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক রাজনীতি, নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও প্রতিবেশী কূটনীতিতে নতুন সমীকরণের সূচনা করতে পারে। নয়াদিল্লির অপেক্ষা আর ঢাকার প্রস্তুতি—দুই মিলিয়ে সামনে তাকিয়ে আছে দুই দেশের কূটনৈতিক মহল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এসকেএন টিভি চ্যানেল ফেসবুক